Carnival Internet, a local internet service provider, has brought internet access to remote parts of the country, where people are hungry for internet but have next to no access, by way of WiFi Haat — an inspired move that will help thousands of locals.
Most of the places where the Haats are located hardly had any internet coverage. People could access internet from their mobile phones but the network is very patchy, so the speed is very slow.
Carnival has partnered with traditional shopkeepers and tea stall owners for the WiFi Haat, where they have installed their systems.
“We are aspiring to completely redefine the internet experience across rural Bangladesh with 50,000 Carnival WiFi Haats covering 10,000 villages of Bangladesh,” said Zaman Khan, chief executive officer of Carnival Internet.
Since March, rural users could access high-speed internet by purchasing scratch cards for certain durations that contain unique passwords from the shopkeepers and tea stall owners.
One has to pay Tk 7 for internet access for two hours, Tk 15 for the whole day and Tk 25 for two days.
“We found the villagers are internet hungry and that encouraged us so much,” Khan told The Daily Star recently.
The average mobile internet use as of June was about 1.2 gigabyte (GB) per month but in a Carnival WiFi Haat users’ monthly consumption is more than 20GB.
“We are quite sure the need is even more,” Khan added.
Talking with The Daily Star, Md Aminul Islam, a grocer in Tungipara, Gopalganj, informed that he sells about 30 to 40 scratch cards every day.
“There are a few routers in Patgati Bazar with coverage of a hundred-metre radius, so people can access internet while lounging in any shop in the bazar,” he added.
Young and old alike flock to Ikram Hossain’s WiFi Haat in Halsha Bazar in Patikabari, Kushtia in the corner of his motorcycle servicing shop every day.
“After installation of this Carnival WiFi Haat, I see good changes around my service shop. Youngsters are discussing productive things like who is doing what, what can be done, what is happening where and many more.”
Sometimes, aged people come to get connected with the internet and chat with their expatriate relatives.
The correspondent saw one such elderly man visit Hossain’s WiFi Haat to purchase a scratch card to speak to his son, who has been residing in Malaysia for the last eight years. He brought his grandson Osman with him as he knows how to navigate a smartphone.
Osman buys the scratch card, puts in the credentials on the smartphone and then the internet is unlimited, said the gray-bearded man.
“My son had sent this big screen phone and we could not find much use for it other than taking pictures and watching music videos that Osman used to download from the town. But we can do much more than before now,” he added.
Carnival Internet first introduced the concept of WiFi Haat in Baniachong — the largest village in Asia – in Sylhet division. It has since installed more than 350 such haats across the country.
Over the next three years, Carnival plans to set up 50,000 such Wi-Fi Haats across the country — touching 10,000 villages and more than one million unique users.
Khan said they believe the initiative will dilute the rural verses urban digital divide and play a large role in ensuring that the rural population does not have to step out of their villages or communities to achieve success in their respective fields.
With this service internet users’ unique numbers will definitely increase, Carnival hopes.
As of June, there are about 9.62 crore internet connections in the country, 57.34 lakh of which are broadband connections, according to Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.

Source: the Daily Star

সুনামগঞ্জের ছাতকের একটি গ্রাম গণেশপুর। এই গ্রামেই রয়েছে মেসার্স মানিক স্টোর। মানিক স্টোরে বসে ছিলেন এ গ্রামেরই রেজওয়ানুল হক। রেজওয়ানুল সরকারি চাকরিপ্রার্থী। তবে কিছু দিন আগে রূপালী ব্যাংকে পরীক্ষা দিলেন। আগে একটা সময় চাকরির ফরম হাতে পূরণ করতে হতো। কিন্তু এখন সবটাই হয় অনলাইনে। সুরমা নদীর ওপারে থাকেন বলে আগে ব্রডব্যান্ড সুবিধা ছিল না, দোকানে গিয়ে মডেমের সাহায্যে অনলাইনে চাকরির ফরম পূরণ করতে হতো। ভালো ইন্টারনেট সুবিধা না থাকায় একটা ওয়েবপেজ লোড হতেই তিন চার মিনিট লেগে যেত। সড়ক যোগাযোগ না থাকায় কোনও ফাইবার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা সেখানে পৌঁছেনি। গেলো জানুয়ারিতে কার্নিভাল ইন্টারনেট এক বিশেষ ব্যবস্থায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিয়ে আসে এই গ্রামে। গ্রামে ওয়াইফাই হাট (স্পট) তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে।
রেজওয়ানুল হক বললেন, ওয়াইফাই লাইন আসার পর থেকে এখন আর কোনও সমস্যা হয় না। মানিকের দোকানে এসে নিজের ফোনেই ফরম পূরণ করি, বেশিক্ষণ লাগে না। মানিকের দোকানে বসে বইও অর্ডার করেছি ঢাকা থেকে। অনলাইনে অর্ডার করার পরে আমার বাড়িতে এসে দিয়ে গেছে। কার্নিভাল ‘ওয়াইফাই হাট’ না এলে আমাকে অনেক জায়গা ঘুরে শহরে গিয়ে বই কেনা লাগতো। এখন ঘরের কাছেই সব পাচ্ছি। এই দোকানে ওয়াইফাই কার্ড পাওয়া যায়। যখন যতটুকু লাগে, কিনে ব্যবহার করি। স্পিড অনেক। ডাটা নিয়ে কোনও চিন্তা নাই, আনলিমিটেড।
সৃজনশীল এই উদ্যোগের ব্যাপারে জানতে চেয়েছিলাম কার্নিভাল ইন্টারনেটের পরিচালক জামান খানের কাছে, যার হাত ধরে কার্নিভাল ইন্টারনেট যাত্রা শুরু করে আজ সারাদেশে বিস্তৃতি লাভ করেছে
বাংলা ট্রিবিউন: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় কি?
জামান খান: বাংলাদেশের প্রান্তিক পর্যায়ে এখনও ইন্টারনেট সুবিধা সেভাবে পৌঁছেনি। বেশ কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে শহরের বাইরে ব্রডব্যান্ড সংযোগ এখনও বেশ সীমিত। বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু এলাকায় ইউনিয়ন পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। কার্নিভাল মনে করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের সবার। এই দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকেই আমরা শহরের বাইরে যেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা এখনও পৌঁছেনি, সেখানে তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। সাধারণত দেখা যায় কেন্দ্র থেকে প্রান্তিক পর্যায়ে ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক নিয়ে যাওয়ার খরচ অনেক বেশি, এরপর গ্রাহক পর্যায়ে সেই সেবা পৌঁছাতে খরচ আরও বেড়ে যায়। এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তো আছেই। কিন্তু আমরা আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা দেশের সব এলাকার গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে যেতে পারবো।
গ্রাম ও শহরে ইন্টারনেট সেবার মানের তারতম্য নিরসনে কার্নিভাল কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?
-চ্যালেঞ্জের জায়গাটা আমি আগেও বলেছি। হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার জন্য যে ধরনের ‘ইউজার বেজ’ থাকা দরকার, মাসিক আয় দরকার, সেই অর্থনৈতিক জায়গাটা এখনও তৈরি হয়নি। পাশাপাশি গ্রামে মোবাইল ইন্টারনেট সেবাও প্রয়োজনের তুলনায় কম। এই বিষয়গুলোই গ্রাম ও শহরে ইন্টারনেট সেবার মানে একটা বিভেদ তৈরি করে।
আমাদের ডটলাইন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহবুবুল মতিন বর্তমান সরকারের ‘রূপকল্প ২০২১’-এর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লিখিত ‘গ্রাম হবে শহর’-এই মন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়ে শহর এবং গ্রামের মানুষের ভেতর ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে আনার জন্য ‘কার্নিভাল গো রুরাল’ প্রকল্পটি চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ে হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা। মানুষ যেন গ্রামে থেকেই শহরের মানের শিক্ষা, বিনোদন, অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে। ইতোমধ্যে কার্নিভাল এই সেবা নিয়ে পৌঁছে গেছে দেশের ৪৮ জেলার ১৮২ উপজেলার সাড়ে ১১ হাজার গ্রামে। এক লাখ গ্রাহক পরিবার এবং প্রায় পাঁচ লাখ ওয়াইফাই গ্রাহক এখন আমাদের সঙ্গে।
অর্থনীতিবিদরা আশাবাদী বাংলাদেশ ২০৫০ সালের মধ্যে শীর্ষ আয়ের দেশে পরিণত হবে। আমরা বিশ্বাস করি, দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট আরও সহজলভ্য করার মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিকে ব্যবহার করে আরও বড় বিপ্লব নিয়ে আসা সম্ভব এবং ২০৫০ সালের আগেই আমরা শীর্ষ আয়ের দেশে পরিণত হবো।
আগামীতে প্রান্তিক পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছানোর ব্যাপারে কার্নিভালের পরিকল্পনা কী?
-আমাদের মূল পরিকল্পনা হলো প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষগুলোকে সুলভে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার আওতায় নিয়ে আসা। এই লক্ষ্য পূরণে কার্নিভাল পৌঁছে গেছে সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ওপারের সঙ্গে স্থলযোগাযোগ না থাকায় যেখানে কোনও ব্রডব্যান্ড সুবিধা ছিল না, এখন সেখানে পাওয়া যাচ্ছে কার্নিভালের ফাইবার ইন্টারনেট। এছাড়া টেকনাফ, তেতুলিয়া, হিলি, বুড়িমারি, তামাবিল, দর্শনা, বাংলাবান্ধা, সোনামসজিদের মতো দূরের স্থলবন্দরগুলোতে কার্নিভালের ব্রডব্যান্ড সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। আগে দ্রুতগতির ইন্টারনেটের অভাবে গ্রামের সঙ্গে বাইরের যোগাযোগ তেমন ছিল না। এখন আছে। আমরা বিশ্বাস করি, কার্নিভাল ইন্টারনেট শহর এবং গ্রামের ডিজিটাল বিভেদ কমাতে সক্ষম হবে।
বাংলা ট্রিবিউন: সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

Source: বাংলা ট্রিবিউন

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কার্নিভাল ইন্টারনেটের ‘ওয়াই-ফাই হাটে’ এসে এখন থেকে যে কেউ মুঠোফোন বা ল্যাপটপে বিনা খরচে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণ পড়তে পারবেন। এ জন্য শুধু মুঠোফোনের ওয়াই-ফাই অপশনটি চালু করলেই হবে।
প্রথম আলোর পাঠকদের জন্য এ সুবিধা দিতে আজ বুধবার কার্নিভাল ইন্টারনেটের সঙ্গে একটি চুক্তি সই হয়েছে। এ জন্য রাজধানীর গুলশানের উদয় টাওয়ারে কার্নিভাল ইন্টারনেটের পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডটলাইনস–এর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কার্নিভাল ইন্টারনেটের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন ডটলাইনস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল মতিন। প্রথম আলোর পক্ষে চুক্তিতে সই করেন সম্পাদক মতিউর রহমান। অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে এক বছরের জন্য এ চুক্তি হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে দেশের ৬১ জেলায় কার্নিভাল ইন্টারনেটের ১০ হাজার ‘ওয়াই-ফাই হাট’ রয়েছে। এর মাধ্যমে ২০ লাখের বেশি মানুষ ইন্টারনেট সেবা পাচ্ছেন। এ ছাড়া এসব ‘হাটে’ এসে কেউ চাইলে সর্বনিম্ন সাত টাকার স্ক্র্যাচ কার্ড রিচার্জ করে দুই ঘণ্টা ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। তবে মুঠোফোনের ওয়াই-ফাই অপশন চালু করে কোনো টাকা রিচার্জ না করেই পড়া যাবে প্রথম আলো।
উল্লেখ্য, সিস্টেমস সল্যুশনস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের (এসএসডি টেক) একটি সুপরিচিত ব্র্যান্ড কার্নিভাল ইন্টারনেট। এসএসডি টেক বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ডটলাইনসের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ডটলাইনস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল মতিন বলেন, গ্রাম হবে শহর—এ মন্ত্রে
অনুপ্রাণিত হয়ে শহর ও গ্রামের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ‘কার্নিভাল গো রুরাল’ প্রকল্প চালু করেন তাঁরা। এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো প্রান্তিক পর্যায়ে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, এ বছরের মধ্যেই ৩০ হাজার ‘ওয়াই-ফাই হাট’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁরা।
প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, কার্নিভাল ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রথম আলো নতুন পাঠকের কাছে পৌঁছাতে পারবে, যাঁদের কাছে ইন্টারনেট এখনো খুব সহজলভ্য নয়। অনলাইনে বিনা খরচে প্রথম আলো পড়ার সুযোগ পেয়ে তরুণেরা উপকৃত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, শহর ও গ্রামের মধ্যে আরও সংযোগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কার্নিভাল ওয়াই–ফাই হাটে সামনের দিনগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নিয়ে আসা হবে।
ডটলাইনস গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক হাসান মেহেদী বলেন, কার্নিভাল ওয়াই–ফাই হাট এমন একটি অভিনব উদ্যোগ, যার সাহায্যে গ্রামের প্রতিটি পাড়ায় শহরের আধুনিক সব সুবিধা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ওয়াই–ফাই হাটে গেলে একজন গ্রাহক খুব সহজেই নানা ধরনের ডিজিটাল সেবা পাচ্ছেন।
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ডটলাইনসের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ ফাইন্যান্স অফিসার মহিউদ্দিন রাস্তি মোর্শেদ, চিফ টেকনিক্যাল অফিসার ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, হেড অব ডিজিটাল বিজনেস এস কে আরেফিন জিহাদ, কার্নিভাল হুইলস-এর পরিচালক আবুল কালাম আজাদ ও কার্নিভাল ইন্টারনেটের হেড অব অপারেশন্স নজরুল ইসলাম।

Source: প্রথম আলো

Like many industries and communities, the freelancing community in Bangladesh has also been hit hard by the pandemic. When the pandemic and the lockdown forced many job-seekers, students and freelancers to move to their homes in remote parts of the country, finding seamless connectivity posed to be a major threat in moving forward with internet-based works.
Ruman of Jhenidah is one such freelancer who wanted to learn graphic designing. But the lockdown forced him to move to his village where broadband internet was not available. He had to learn. And mobile internet was slow and costly. Ruman was in trouble. Until he came to know about WiFi Haat.
WiFi Haat is an initiative by Carnival Internet where local brick and mortar shops in villages are supplied with internet package cards starting from only BDT 7, which users can use according to their needs. There are other packages available as well. For example, for BDT 15, one can use unlimited high-speed broadband internet for the entire day.
WiFi Haat is a part of Carnival Internet’s ongoing commitment to empower the remote parts of the country with seamless internet connectivity, in alignment with the Sustainable Development Goals. Internet cards from WiFi Haat enable users to seamlessly use high-speed internet at a low cost, enabling freelancers, students and job-seekers in remote villages to empower themselves by learning new skills and putting them to good use by freelancing and earning.
Carnival hopes that internet connectivity will reach the remotest corners of the country and the entire country will be connected to the world so that in an age of globalization, no one from Bangladesh is left behind.
To find out about this journey, we had an interactive chat with Zaman Khan, Director of Carnival Internet, with whom Carnival Internet started its journey and has spread across the country today.
1. How has Carnival internet service so far expanded to the remote areas of the country? How real is the idea of Carnival WiFi Hat?
Mahbubul Matin, Chairman of Dotlines Group, decided to launch the ‘Carnival Go Rural’ project to reduce the digital divide between urban and rural people, inspired by the ‘Digital Bangladesh’ of the current government’s ‘Rupkolpo 2021’ and the ‘Village will be the city’ mentioned in the 2018 election manifesto. The purpose of this project is to ensure high speed broadband internet connection through optical fiber.

People extract various benefits of quality education, entertainment and economic activities from the village. Based on the infrastructure that the present government has created for internet service up to upazila and union level, Carnival Internet has launched a project to provide internet services in remote areas. Carnival has reached 11,500 villages in 182 upazilas of 48 districts of the country. With a family of One Lakh subscriber and about 5 lac WiFi Haat subscribers, Carnival internet has now come a long way in building the digital Bangladesh of our Prime Minister’s dream.

2. What are the special initiatives Carnival Internet is taking for digital entrepreneurs and freelancers in the future?
We are thinking of taking WiFi hut to a bigger horizon with our new initiative called ‘Carnival Point’. Apart from Carnival Internet, Dotlines Bangladesh has many more brands. In parallel to this, Carnival Assure is working with Insurance offering easy and low-cost insurance for the rural people. To ensure nationwide delivery of all kinds of good, we have our other brand, Ecourier working towards it. Besides, we have a digital learning platform called Ghoori Learning to deliver top-class educational and professional courses for related students at affordable prices. Once the Wifi Haats incorporate into Carnival Point, all other mentioned brands services will be available along with Wifi Cards.
From Carnival Point, a freelancer can easily purchase Ghoori Learning courses as per their need. Courses like professional development, programming, video editing, motion graphics, digital marketing, graphic design in Ghoori Learning will be very helpful for a freelancer. And also, easily complete registration for any courses from Carnival Point. Ghoori Learning is also organizing special training on how to get work from different platforms of freelancing and how to increase income.

Source: The Daily Star

বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগ হঠাৎ নেই—কী হবে? মুহূর্তেই থমকে যাবে সন্তানের অনলাইন ক্লাস। অফিসের ফাইলগুলো হবে না আপলোড। আর মা-বাবা চাইলেও অনলাইনে ভিডিও কলে দেখতে পাবে না দূরদেশের সন্তান ও স্বজনকে। ডিজিটালাইজেশনের এ যুগে ইন্টারনেটের গুরুত্ব নতুন করে কাউকে বোঝানোর দরকার নেই। তবে এখনো হাজারো মানুষ আজকের দিনটিতেও ইন্টারনেটের অগণিত সব সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) এক জরিপে দেখা গিয়েছে যে প্রান্তিক অঞ্চলে বসবাসরত ৫৪ শতাংশ মানুষের কাছে এখনো পৌঁছেনি ইন্টারনেটের আলো। এ বছর এশিয়ান প্যাসিফিক ম্যাথমেটিকস অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করা বাংলাদেশ দল থেকে যারা মেডেল পেয়েছেন, তাদের মধ্যে দুজন ঢাকার অধিবাসী এবং আরেকজন ময়মনসিংহের। দেশজুড়ে আজ ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির অসমতা থাকায় অনেক প্রতিভা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এ ডিজিটাল বিভাজন দূরীকরণের লক্ষ্যে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে শুরু হওয়া বহুজাতিক টেকনোলজি গ্রুপ ডটলাইনস। ২০১৬ সালে শুরু হওয়া কার্নিভাল ইন্টারনেট আজ দেশজুড়ে বিভিন্ন গ্রামের ছয় লাখ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সুবিধা। গত কয়েক বছরে কার্নিভাল ইন্টারনেটের সব সাফল্যের গল্পগাথার শিকড়ে ওঠে আসে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকের এক প্রচেষ্টার কাহিনী। সেই গল্পটি বাংলাদেশের গ্রামগুলোর সহজ-সরল মানুষের হাতে ইন্টারনেটের ভুবন পৌঁছে দেয়ার।
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় অবস্থিত মানিক মিয়ার ছোট্ট, ছিমছাম টং দোকান। দোকানের সামনে গেলেই চোখে পড়বে কার্নিভাল পয়েন্টের ব্যানার। বছরখানেক আগে কার্নিভাল পয়েন্টের মাধ্যমে ইন্টারনেট কার্ড বিক্রি করা শুরু করেন তিনি। আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করায় এ ইন্টারনেট কার্ড এখন তার উপার্জনের এক বড় উৎসেপরিণত হয়েছে। লোকজন এখন চা খেতে এসে কার্ড কিনে ঘণ্টা দুয়েক ইন্টারনেট চালায়। স্কুল শেষে শিক্ষার্থীরা তার দোকানে বসে চালাচ্ছে ইন্টারনেট, জানছে বিশ্বের নানা খবরাখবর, শিখছে নতুন অনেক কিছু। কার্ডও বিক্রি হয়, সঙ্গে দোকানের পণ্যও। তার ব্যবসার প্রসার দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে মানিক মিয়ার চাচাতো ভাইও মাস দুয়েক আগে যশোরে কার্নিভাল পয়েন্টের উদ্যোক্তা হয়েছেন।
গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয় বৃদ্ধি ছাড়াও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জীবনযাত্রায়ও আসছে আমূল পরিবর্তন। কীভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে মানুষের জীবনমান বদলে যাচ্ছে, সে বিষয়ে ডটলাইনস গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হাসান মেহেদী বলেন, আমরা বরাবরই চেয়েছি আমাদের গ্রাহকদের সত্যিকার ইন্টারনেটের স্বাদটি দিতে। তাই দূরবর্তী কোনো গ্রামের টং দোকানে বসে কার্নিভাল ইন্টারনেট চালালেও সেখানে নেই স্পিডের কমতি কিংবা ব্যবহারের লিমিট। শহরের ওয়াইফাইয়ের মতোই সেখানেও বাধাহীনভাবে সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। এতে যেমন আমাদের গ্রাহকরা উপকৃত হচ্ছেন, তেমনি গ্রাহক সমাগম বাড়ায় কার্নিভাল পয়েন্টের দোকানদারদের আয় যথারীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশজুড়ে আরো দুই লাখ নতুন কার্নিভাল পয়েন্ট স্থাপন করা সম্ভব হবে।
প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ছাড়াও কার্নিভাল ইন্টারনেটের এই গ্রামভিত্তিক প্রকল্প টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো কৃষি ও প্রযুক্তির এক সংমিশ্রণ। আগে যেখানে শুধু এক প্রজাতির ধান হতো, সেখানে এখন সারা বছরব্যাপী ফলনশীল ধানের চাষ হচ্ছে। সঙ্গে এখন উন্নত মানের স্ট্রবেরি, ব্রোকলি চাষও হচ্ছে। চাষাবাদের বিভিন্নতা জানার জন্য কৃষক ও চাষীরাও এখন তাদের স্মার্টফোনের সদ্ব্যবহার করছেন।
কার্নিভাল ইন্টারনেটের সাহায্যে রংপুরের বাসিন্দা রাতুল সাহার মতো কৃষকও আজ মুহূর্তেই জেনে যাচ্ছেন নানা কৃষি সারের ব্যাপারে। তার ছেলের সহযোগিতায় জানছেন বিশ্বের নতুন সব কৃষি-কৌশলের বিষয়ে।
অর্থনীতির এই যুগান্তকারী পরিবর্তনে গ্রামের নানা পেশার মানুষের সম্মিলিত ভূমিকা এবং জীবনমানের পরিবর্তনের বিষয়ে ডটলাইনস গ্রুপের ডিরেক্টর ও চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মহিউদ্দিন মোর্শেদ রাস্তি বলেন, কার্নিভাল পয়েন্ট এমন একটি অভিনব উদ্যোগ, যার সাহায্যে আমরা গ্রামের প্রতিটি পাড়ায় নিয়ে যাচ্ছি শহরের আধুনিক যাবতীয় সুবিধাগুলো। আমাদের কার্নিভাল পয়েন্টগুলোয় গেলে একজন গ্রাহক খুব সহজেই পাবেন নানা ডিজিটাল সার্ভিস। দারুণ ইন্টারনেটের পাশাপাশি যে কেউ চাইলে কার্নিভাল পয়েন্টগুলো থেকে কিনতে পারবেন ঘুড়ি লার্নিংয়ের ই-লার্নিং কুপন কিংবা পরিবারের সুস্বাস্থ্যের জন্য করে ফেলতে পারবেন মাইক্রো-ইন্স্যুরেন্স। এমনকি টেকনাফের একটি কার্নিভাল পয়েন্ট থেকে ই-কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশের আরেক প্রান্তে যেকোনো পণ্য পাঠাতে পারবেন উঠতি উদ্যোক্তারা। শহর-গ্রামের সংযোগ প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যে এ কার্নিভাল পয়েন্টগুলোকে আমরা প্রতিনিয়ত আরো সমৃদ্ধ করে তুলছি। গত পাঁচ বছরে এ প্রকল্পে আমরা বিনিয়োগ করেছি ১০০ কোটি টাকারও বেশি। আগামীতেও আমরা এ পয়েন্টগুলোয় বিশ্বমানের আরো নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসব।
প্রতিষ্ঠানটির সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে কার্নিভাল এ সেবা নিয়ে পৌঁছে গেছে দেশের ৫৬ জেলার ২৩০ উপজেলার ১৯ হাজার গ্রামে। দেশজুড়ে প্রায় দেড় লাখ গ্রামীণ ঘরে ফাইবার অপটিক কেবল দিয়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চলে। আর প্রায় ১০ হাজার দোকানে ওয়াইফাই হটস্পট চলে। দশ লাখেরও বেশি মানুষকে সত্যিকার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সুবিধা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হযেছে।
কার্নিভাল ইন্টারনেটের বর্তমান প্রকল্প ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে ডটলাইনস গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহবুবুল মতিন বলেন, কার্নিভাল পয়েন্ট হচ্ছে কার্নিভাল ইন্টারনেটের গো রুরাল নামক একটি মেগা প্রজেক্টের অংশ। এ উন্নয়নভিত্তিক প্রজেক্ট তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের রূপকল্প-২০২১-এর ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লিখিত ‘গ্রাম হবে শহর’ চিন্তাধারা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। বর্তমান সরকার উপজেলা ও ইউনিয়ন লেভেল পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবার জন্য যে অবকাঠামো তৈরি করেছে, তার ওপর ভিত্তি করেই কার্নিভাল ইন্টারনেট এ প্রকল্প চালু করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের পথে আমরা অনেকটা পথ পৌঁছে গেছি। পরীক্ষামূলক প্রকল্প থেকে আমাদের যে স্বপ্নের শুরু হয়েছিল, সে স্বপ্নকে আমরা ছড়িয়ে দিতে চাই বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্রামকে শহরে রূপান্তর করার এ যাত্রা মোটেও সহজ নয়। তবে এর মাঝেও খোলা যায় হাজারো সম্ভাবনার দুয়ার। তার জন্য প্রয়োজন দূরদর্শিতা ও সঠিক নেতৃত্বের সমন্বয়। ডটলাইনস গ্রুপের কয়েকশ দক্ষ কর্মী সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন। অচিরেই প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক গ্রাম থেকে উঠে আসবেন তুখোড় সব ফ্রিল্যান্সার কিংবা প্রতিভাবান উদ্যোক্তা। এভাবেই গ্রামের ঘরে ঘরে জ্বলে উঠবে প্রযুক্তির আলো। যে আলোয় দেখা মিলবে অসীম সম্ভাবনার নতুন এক বাংলাদেশের।

Source: বণিকবার্তা

তৃণমূলে ইন্টারনেট ছড়িয়ে দিচ্ছে কার্নিভালের ‘ওয়াই-ফাই হাট’
তিন মাসে পৌঁছে গেছে ৩৫০ চা দোকানে
তিন বছরে ১০ হাজার গ্রামে পৌঁছনোর পরিকল্পনা

গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ও ডিজিটাইজেশনের মাঝের শূন্যস্থান পূরণে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রয়োগের মাধ্যমে কার্নিভাল ইন্টারনেট নিয়ে এসেছে ‘ওয়াই-ফাই হাট’। তৃণমূলে সাশ্রয়ী দামে আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রামের চায়ের দোকানগুলোয় ওয়াই-ফাই ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই হাট গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য সাত টাকায় দুই ঘণ্টা, ১৫ টাকায় এক দিন এবং ২৫ টাকায় দুই দিন ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছে তারা। ওয়াই-ফাইয়ে সংযুক্ত হয়ে আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীদের স্ক্র্যাচ কার্ড কিনে সেখান থেকে গোপন নম্বরটি তার ডিভাইসে প্রয়োগ করতে হয়।
আর সেখান থেকেই গ্রামীণ মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে তাদের দৈনন্দিন জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সূচনা হয়।
ওয়াই-ফাই হাট ব্যবহারের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের পাথরঘাটা গ্রামে একটি ছোট মুদির দোকনদার রফিক ইসলাম তাঁর ব্যবসায় পরিবর্তন দেখতে পেয়েছেন। তাঁর দোকানে ওয়াই-ফাই রাউটারটি বসানোর কিছুদিনের মধ্যে এই বিশেষ পরিবর্তন লক্ষ করেন তিনি। ইন্টারনেটের ব্যবহার যেন আশীর্বাদ হয়ে এসেছে তাঁদের মুদির দোকনটিতে। এই ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে শুধু তিনিই নন, গ্রামের সবাই যেন একটি সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। এখন রফিক ইসলাম শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যই নয় বরং তাঁর দোকানে আসা ক্রেতাদের কাছে হাই স্পিড ইন্টারনেটও বিক্রি করে থাকেন। ছোট একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এখন একটি কমিউনিটি হাবে পরিণত হয়ে উঠেছে, যার মাধ্যমে লোকেরা ইন্টারনেট এবং তার বিস্ময়ের সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠেছে। এটি এখন এমন একটি কমিউনিটিতে পরিণত হয়েছে, যা এটির সঙ্গে সংযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সহযোগিতার একটি বিশেষ মাধ্যম হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে। যেসব কৃষক তাঁর দোকানে আসে তারা ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে খুব সহজেই বীজ, আবহাওয়া এবং বাজারমূল্য সম্পর্কে জানতে পারে। ফলে শহর এবং গ্রামের মধ্যে ডিজিটাল সংস্কৃতির যে বাধা আছে, তা অতিক্রম করে তারা নিজেদের সমৃদ্ধ করে তোলে।
কার্নিভাল ইন্টারনেটের ‘ওয়াই-ফাই হাট’ এরই মধ্যে গত তিন মাসে গ্রামীণ বাংলাদেশজুড়ে ৩৫০টিরও বেশি চা দোকানে পৌঁছেছে। এই গ্রামীণ ওয়াই-ফাই হাটগুলোর মাধ্যমে এরই মধ্যে ১০ হাজারের বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে।
কার্নিভাল ইন্টারনেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জামান খান বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে গ্রামীণ ইন্টারনেট অভিজ্ঞতার উন্নয়ন। পরবর্তী তিন বছরে, আমাদের দেশে ১০ হাজার গ্রাম স্পর্শ করার মাধ্যমে ৫০ হাজার এমন কার্নিভাল ওয়াই-ফাই হাট স্থাপনের জন্য আমরা দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, কার্নিভাল রুরাল ইন্টারনেট গ্রাম ও শহরের ডিজিটাল ব্যবধানগুলোকে কমিয়ে আনবে এবং গ্রামাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর তাদের গ্রাম বা কমিউনিটির বাইরে বের না হয়েই নিজ নিজ ক্ষেত্রগুলোতে সাফল্য অর্জন নিশ্চিত করতে একটি বড় ভূমিকা পালন করবে। ’
Source: কালের কণ্ঠ

Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!

Payment Option